| সংবাদ শিরোনাম: |
পেঁয়াজের বাজারে একশ্রেণী ব্যবসায়ী কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে বাজার কে অস্থিতিশীল করে তুলে।ব্যবসায়ী দের এ সংকট সৃষ্টি চেষ্টা থাকলেও দাম নিয়ন্ত্রণে আনবে এ মাসে ৭৫ হাজার মেট্রিক টন দেশীয় পেঁয়াজ বাজারে আসার কথা রয়েছে।
যা শিগগিরির বাজারে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনবে বলে কর্তৃপক্ষের ধারণা। কৃষি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দেশে পর্যাপ্ত পরিমান পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়েছে।
তাই আপাতত আমদানি অনুমোদন দেওয়া হচ্ছে না, যাতে কৃষক ন্যায্য মূল্যপান দীর্ঘমেয়াদী উৎপাদন বজায় থাকে। মন্ত্রণালয় তথ্য অনুযায়ী চলতি মাসে ৭৫ হাজার টন পেঁয়াজ বাজারে আসছে। ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই এ সংখ্যা আরো বেড়ে দেড় লাখ টনে পৌঁছাবে।
এছাড়া ডিসেম্বরের মধ্যে মুড়ি কাটা পেঁয়াজ ও ডিসেম্বর, জানুয়ারিতে বাজারে পাওয়া যাবে। সুতরাং বাজারে সংকটের কোন আশঙ্কা নাই বলছেন কর্মকর্তারা। গত কয়েক সপ্তাহ পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৪০/৪৫ টাকা বৃদ্ধি করা হয় নানা অজুহাত দেখিয়ে।খাতুনগঞ্জে প্রতি কেজি পেঁয়াজের দাম ১০০-১১০ বৃদ্ধি করে বিক্রি করা হয়।ট্রেডিং কর্পোরেশন অফ বাংলাদেশ জানায় এক মাসে দাম ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি করে ১২০ টাকা পর্যন্ত করা হয়েছে।
পাবনা আড়তদাররা জানান বৃষ্টির কারণে সরবরাহ সাময়িক বিঘ্র হয়েছে, যারফলে মনপ্রতি দাম এক সময় ১০০০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যায়।কৃষি মন্ত্রণালয় সচিব এমদাদ উল্লাহ বলেন,নতুন দেশীয় পেঁয়াজ বাজারে আসায় এখন আমদানি অনুমতি দিলে কৃষক ন্যায্য মূল্য পাবে না।
বাজারে দাম নিয়ন্ত্রণে মনিটরিং কার্যক্রম চলছে বলে তিনি জানান।চট্টগ্রাম ও ঢাকার ব্যবসায়ী জানান, ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি না করায় সাময়িক ঘাটতি দেখা দেওয়া এক শ্রেণীর অসাধু সিন্ডিকেট ব্যবসায়ী বাজার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দাম বাড়ায়। তবে নতুন সরবরাহ আসলেই বাজার নিয়ন্ত্রণে আসবে।
সরকারি হিসাব মতে বাংলাদেশের প্রতি বছর পেঁয়াজের চাহিদা ২৬-২৭ লাখ টন।গত মৌসুমে উৎপাদন হয়েছিল ৩৯ লাখ টন।তবে উৎপাদন পরবর্তী ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে প্রতি বছর ২৫ শতাংশের বেশি পেঁয়াজ নষ্ট হয়। তাই চাহিদা মেটাতে বছরের অন্তত ৬-৭ লাখ টন পেঁয়াজ আমদানি করা হয়।
প্রতিবছর বিপুলপরিমাণ পেঁয়াজ নষ্ট হওয়ার জন্য কৃষিবিভাগ কে দায়ী করেন কৃষক। তারা বলছেন সময় মতো আমরা সরকারি কৃষি বিভাগের কোন সহযোগিতা পাইনা ফলে আমদের লোকশানের বোঝা বইতে হচ্ছে।