এস এম মিজান
পৃথিবীর প্রায় সকল দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইমিগ্রেশন কর্মকর্তাদের সেবার মান অনক উন্নত।
তাদের আন্তরিকতা, হাসিমুখে কথা বলা এবং দ্রুত সেবা প্রদানের মানসিকতা সত্যিই যাএী প্রশংসা করতে বাধ্য।
রবিবার (০৪ অক্টোবর) তাঁদের পেশাদার আচরণ ও যাত্রীবান্ধব মনোভাব একজন ভ্রমণকারীর মনে সংশ্লিষ্ট দেশ সম্পর্কে ইতিবাচক ধারণা তৈরি করে।আমাদের নিজের দেশের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে অনেক সময় সম্পূর্ণ ভিন্ন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হতে হয়।
ইমিগ্রেশনে কর্মরত কিছু কর্মকর্তার ধীরগতি, অনাগ্রহী আচরণ এবং যাত্রীদের সঙ্গে যথাযথ সৌজন্য বজায় না রাখার কারণে অযথা দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়।
যেখানে একজন যাত্রীর ইমিগ্রেশনের কাজ এক থেকে দুই মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার কথা, সেখানে দীর্ঘ সময় ধরে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়, তৈরি হয় অসহনীয় যানজট ও ভোগান্তি।
এখন কথা হচ্ছে, আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মতো গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যাত্রীসেবার মান কেন আরও উন্নত হবে না?
তাঁদের কর্মদক্ষতা, পেশাদারীত্ব, আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতাই হওয়া উচিত সেবার মূল মানদণ্ড।
আমরা চাই, দেশের বিমানবন্দরের ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাপনায় আধুনিক ও যাত্রীবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করা হোক।
প্রতিটি যাত্রী যেন হাসিমুখে, সম্মানজনক আচরণে এবং দ্রুততম সময়ে সেবা পান।যাএীরা নিজের দেশের বিমানবন্দরে নেমে যেন কোনো বাংলাদেশিকে অব্যবস্থাপনা ও দীর্ঘ সূত্রতার কারণে হতাশ হতে না হয়।
প্রবাসী কিংবা দেশীয়—সব যাত্রীর জন্যই সম্মানজনক, আন্তরিক ও মানসম্মত সেবা পাওয়া জরুরী।
আমাদের আর পিছনে যাওয়ার অবকাশ নাই।সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বা সরকার কে বিষয়টি গুরুত্ন দিয়ে এগিয়েছে যাওয়া উচিৎ।