Amaderjagaran || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম:

● নারায়ণগঞ্জ নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই ধসে পড়েছে ঢাকা বাইপাস সড়ক ● কলকাতার বাংলাদেশ মিশনের সামনে ফের বিক্ষোভ,ব্যারিকেড ভেঙে ঢোকার চেষ্টা ● ওনাবের সভাপতি মোস্তফা কামাল, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রনো ● পাবনা সেনাবাহিনীর পাহারায় রূপপুরে পৌঁছাল পারমাণবিক জ্বালানি ● পাকিস্তানকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে ভারতের স্বর্ণজয় ● উচ্চ সুদে ঋণ নিয়ে ব্যবসায় সফল হওয়া চ্যালেঞ্জের...গভর্নর ● মুক্তিযোদ্ধাদের দাফন-সৎকারে সাড়ে ৯ কোটি টাকা বরাদ্দ ● বিশ্ব প্রাণী দিবস আগামীকাল ● পুলিশের গুলি খাবো,তবু হেলমেট পরবো না’....মেজর আখতারুজ্জামান ● ট্রাম্পের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী-স্ত্রীর ছবি প্রকাশ
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)
বিশ্ব অর্থনীতিতে বাড়তে থাকায় ঝুকি

নিম্ন আয়ের দেশের ঋণ মূল্যায়নে নতুন কাঠামো আনছে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর,২০২৬, ১০:৫২ পিএম
নিম্ন আয়ের দেশের ঋণ মূল্যায়নে নতুন কাঠামো আনছে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফ

নিম্ন আয়ের দেশগুলোর ঋণ পরিস্থিতি আরও কার্যকরভাবে মূল্যায়নে নতুন কাঠামো চালু করতে যাচ্ছে বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। সংস্থা দুটির নির্বাহী পর্ষদ এ সংক্রান্ত সংস্কার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে।

বিশ্ব অর্থনীতিতে বাড়তে থাকা ঝুঁকি, বিভিন্ন দেশের ঋণের পরিমাণ বৃদ্ধি এবং ঋণের উৎসে পরিবর্তনের পরিপ্রেক্ষিতে বিদ্যমান কাঠামোতে সংস্কার আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

২০১৭ সালের পর এবারই প্রথম যৌথভাবে ঋণ মূল্যায়ন কাঠামো পর্যালোচনা করেছে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ।

পর্যালোচনায় নিম্ন আয়ের দেশগুলোর অভ্যন্তরীণ ঋণ আরও কঠোরভাবে বিশ্লেষণ, জলবায়ু পরিবর্তনসহ দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন চ্যালেঞ্জকে মূল্যায়নে বেশি গুরুত্ব দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে।

তবে পুরো কাঠামো নতুন করে সাজানোর প্রয়োজন নেই বলে মনে করছে সংস্থা দুটি। নতুন ব্যবস্থায় কোনো দেশের ঋণ পরিশোধের সক্ষমতা আরও নির্ভুলভাবে পরিমাপ করা হবে।

পাশাপাশি ঋণসংকটের ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোকে ঝুঁকির মাত্রা অনুযায়ী আলাদা করে চিহ্নিত করা হবে।

ঋণের পূর্বাভাসের নির্ভরযোগ্যতা যাচাইয়ে বিভিন্ন ধরনের ‘স্ট্রেস টেস্ট’ বা চাপ-সহনশীলতা পরীক্ষা চালুর পরিকল্পনাও রয়েছে।

এ ছাড়া ঋণসংক্রান্ত তথ্য প্রকাশে দেশগুলোর স্বচ্ছতা বাড়াতে হবে। তবে ঋণ মূল্যায়নে ব্যবহৃত ডিসকাউন্ট রেট ৫ শতাংশই রাখা হচ্ছে।

আইএমএফের আফ্রিকা বিভাগের উপপরিচালক অ্যালিসন হল্যান্ড বলেন, সংস্কারের মূল লক্ষ্য হলো ঋণের ঝুঁকি আগেভাগে শনাক্ত করা।

এর ফলে অর্থায়ন ও নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রে দেশগুলো আরও কার্যকর সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

তিনি জানান, ২০২১ সালের পর ঋণ পরিস্থিতিতে যে উন্নতি হয়েছিল, সাম্প্রতিক বিভিন্ন অর্থনৈতিক ধাক্কায় তার বড় অংশই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

বর্তমানে নিম্ন আয়ের দেশগুলোর প্রায় ১৪ শতাংশ ঋণসংকটে রয়েছে এবং আরও ৩৩ শতাংশ উচ্চ ঋণঝুঁকিতে আছে।

এ ছাড়া উদীয়মান বাজারগুলোর প্রায় ২৩ শতাংশ সরকারি ঋণের ক্ষেত্রে উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

২০২৭ সালের দ্বিতীয়ার্ধে কার্যকর:

ঋণ পরিস্থিতি মূল্যায়নের নতুন কাঠামো ২০২৭ সালের দ্বিতীয়ার্ধে কার্যকর হওয়ার কথা রয়েছে।

এর মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে একটি দেশের ঋণঝুঁকি আরও ভালোভাবে পরিমাপের পাশাপাশি উন্নয়ন ও জলবায়ু অভিযোজনের জন্য দেশটির কতটা বিনিয়োগ সক্ষমতা রয়েছে, সেটিও মূল্যায়ন করা যাবে।

বর্তমান ঋণ মূল্যায়ন কাঠামো ২০০৫ সালে চালু করা হয়েছিল। জুলাইয়ে শেষ হওয়া পর্যালোচনায় দেখা গেছে, বিদ্যমান কাঠামো ঋণসংকটের ঝুঁকি আগেভাগে শনাক্ত করতে কার্যকর হলেও এর কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে।

বিশেষ করে নিম্ন আয়ের দেশগুলোর ঋণ বেড়েছে এবং ঋণের উৎসেও পরিবর্তন এসেছে।

এসব দেশ এখন অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক—উভয় উৎস থেকেই বেশি ঋণ নিচ্ছে। এর একটি অংশ বাণিজ্যিক শর্তে নেওয়া হচ্ছে।

আইএমএফের পর্যালোচনায় আরও দেখা গেছে, স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি অর্থনৈতিক পূর্বাভাস সাধারণত নির্ভরযোগ্য হলেও দীর্ঘমেয়াদে রপ্তানি ও রাজস্বের পূর্বাভাসে অতিরিক্ত আশাবাদ দেখা যায়।

পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ ও আর্থিক তথ্যের ক্ষেত্রেও ঘাটতি রয়েছে।

নতুন কাঠামোয় দীর্ঘমেয়াদি ঝুঁকি বিশ্লেষণের জন্য পৃথক মডিউল রাখা হবে এবং ঋণঝুঁকি আরও বিস্তারিতভাবে পরিমাপ করা হবে।

তবে নতুন পদ্ধতিতে কোন পরিস্থিতিতে একটি দেশের ঋণকে টেকসই নয় বলে বিবেচনা করা হবে, সেই মডেল এখনই প্রকাশ করছে না বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ।

নতুন ব্যবস্থার সঙ্গে দেশগুলোকে খাপ খাইয়ে নেওয়ার সুযোগ দিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)