ঢাকা, বাংলাদেশ বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬ আজকের পত্রিকা ই-পেপার আর্কাইভ কনভার্টার ফটোগ্যালারি
Amaderjagaran || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম:

● শেখ হাসিনার প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া জানাল...ভারত ● মিথ্যা চাঁদাবাজি মামলায় সাংবাদিক আসাদ সবুজের জামিন লাভ,এস আই হরুন কে প্রত্যাহার ● জলবায়ু নীতি,পরিকন্পনা মানসম্মত প্রকল্প উপযুক্ত অর্থায়ন জরুরী--আবদুল আউয়াল মিন্টু ● ফ্রান্সের বিক্ষোভের জন্য ইসলামকে দায়ী করলেন... ডোনাল ট্রাম্প ● রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াটের সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র, প্রকল্পে ব্যয় ২ হাজার ৪৯৮ কোটি টাকা ● দিনাজপুর বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সব ইউনিট বন্ধ ● আগামীকাল মিরপুর-আগারগাঁওসহ বিভিন্ন এলাকায় ১০ ঘণ্টা গ্যাস বন্ধ ● বিদায়ের মঞ্চেও মেসির জাদু, বেনিনকে হারাল আর্জেন্টিনা ● কৃষ্ণ সাগরে ড্রোন হামলায় তেলবাহী জাহাজে আগুন, ২৩ ভারতীয় নাবিক উদ্ধার ● অতিরিক্ত লবন,চিনিযুক্ত পণ্য বাজারজাত করলে ৫ লাখ দেরহাম জরিমানা
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)
টানা চার বছর দেশে বাড়ল দারিদ্র্য

এবছরে ২১ লাখ কর্মসংস্থান থমকে, নারীরা চাকরি হারাচ্ছেন-- বিশ্বব্যাংক

এস এম মিজান-

প্রকাশ : বুধবার, ৭ অক্টোবর,২০২৬, ০৮:৩২ এ এম
আপডেট : বুধবার, ৭ অক্টোবর,২০২৬, ১০:২২ এ এম
এবছরে ২১ লাখ কর্মসংস্থান থমকে, নারীরা চাকরি হারাচ্ছেন-- বিশ্বব্যাংক

দেশে গত বছরের চেয়ে অতিরিক্ত ২১ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করছে।

বিশ্বব্যাংকের প্রকাশিত ‘বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট আপডেট’ প্রতিবেদনে এ তথ্য দেওয়া হয়েছে।

সংস্থাটির মতে, কর্মসংস্থান থমকে আছে এবং নারীরা চাকরি হারাচ্ছেন।

বুধবার (০৭ অক্টোবর) বিশ্বব্যাংক প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাতীয় দারিদ্র্যসীমার হিসাবে দারিদ্র্যের হার টানা চতুর্থ বছরের মতো বেড়েছে।

২০২২ সালে এই হার ছিল ১৮ দশমিক ৭ শতাংশ। গত অর্থবছরে তা আনুমানিক ২২ দশমিক ৫ শতাংশে উঠেছে।

একই সময়ে আয়বৈষম্যও বেড়েছে। বিশ্বব্যাংক বলেছে, সামাজিক সুরক্ষা, জ্বালানি ও কৃষি খাতে ভর্তুকি দরিদ্র মানুষকে সুরক্ষা দেয়।

কিন্তু দেশের অর্ধেক গরিব মানুষ একটি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধাও পান না।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের প্রায় ৬২ শতাংশ দরিদ্র মানুষ প্রধান সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সুবিধা পান না।

সমাজের নিচের দিকে থাকা ২০ শতাংশ দরিদ্র মানুষ বছরে ৭ হাজার ১৪০ টাকার সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা পান।

অন্যদিকে সবচেয়ে ধনী ২০ শতাংশ ব্যক্তি বছরে পান ১০ হাজার ৪৭২ টাকা।

দেশের দরিদ্র মানুষের (নিজের দিকে থাকা ২০ শতাংশ) মধ্যে ৫৪ দশমিক ৪ শতাংশ সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুবিধা সরাসরি পান।

অর্ধেকের মতো দরিদ্র পরিবার সরকারের কোনো সামাজিক নিরাপত্তা সুবিধা পায় না।

অন্যদিকে ৩১ শতাংশ ধনী সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সরাসরি সুবিধা পান।

বিশ্বব্যাংকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গতানুগতিক উপায়ে শুধু ফ্যামিলি কার্ড দিয়ে বছরে ১৫ লাখ ৮০ হাজার মানুষকে দারিদ্র্যসীমার ওপরে তোলা যাবে।

তবে পরিকল্পিতভাবে প্রকৃত সুবিধা চিহ্নিত করে যদি ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নানা ধরনের সুবিধা দেওয়া যায়, তাহলে সাড়ে ২৮ লাখ মানুষকে দারিদ্র্যসীমার ওপর ওঠানো সম্ভব।

বিশ্বব্যাংকের অর্থনীতিবিদ ধ্রুব শর্মা বলেন, বিদ্যমান পদ্ধতিতে ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা দেওয়া হলে বছরে ১৬ লাখের মতো মানুষ দারিদ্র্যসীমা অতিক্রম করতে পারবে।

কিন্তু এই কার্ড যথাযথ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে প্রকৃত দরিদ্রদের দিতে পারলে বছরে সাড়ে ২৮ লাখ মানুষ দারিদ্র্য থেকে বের হতে পারবে।

বিদ্যুৎ খাতে সরকার যে ভর্তুকি দেয়, এর সুবিধা ধনী-গরিব নির্বিশেষে পান। তবে যাঁরা বেশি বিদ্যুৎ ব্যবহার করেন, তাঁরা ভর্তুকির সুবিধা বেশি পান।

বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, সমাজের নিচের দিকে থাকা ২০ শতাংশ মানুষ বিদ্যুৎ খাতের ভর্তুকির মাত্র ১৫ শতাংশের কিছুটা বেশি পান।

অন্যদিকে ওপরের দিকে থাকা ২০ শতাংশ ধনী পান মোট ভর্তুকির ৩৩ শতাংশ।

সারে ভর্তুকি চার গুণ বেড়েছে। ২০১৯-২০ অর্থবছরে সারে ভর্তুকির পরিমাণ ছিল ৭ হাজার ২০০ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে তা বেড়ে দাঁড়ায় ২৮ হাজার কোটি টাকা।

২০২২-২৩ অর্থবছর থেকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের মোট বাজেটের ৮০ শতাংশ ভর্তুকি দিতে হয়।

বিশ্বব্যাংক বলছে, মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) সাড়ে ৩ শতাংশ ভর্তুকি ও সামাজিক নিরাপত্তায় খরচ করে সরকার।

কিন্তু এখনো বহু গরিব পরিবার ঝুঁকির মধ্যে আছে।

তাদের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। তথ্য -সংবাদ,।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)