সবুজ বাঙালি, ঢাকা
রাজধানীর বাড্ডায় ২৪ জুলাই আওয়ামীলীগ ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্র জনতার আন্দোলনে যারা অতর্কীতে সশস্ত্র হামলা চালিয়েছেন।
ছাত্রদের রক্তাক্ত করেছেন, যাদের নামে একাধিক গুম ও খুনের মামলা তারা এখন পুলিশের নিস্ক্রিয়তায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ানো সহ নিষিদ্ধ সংগঠন আওয়ামীলীগ সংশ্লিষ্ট অঙ্গসংঠন সমূহ গুছানোয় ব্যাপক তৎপর বলে বিশ্বস্ত সূত্র জানিয়েছে।
জানা গেছে রাজধানীর বাড্ডা থানায় রামপুরা, বনশ্রী, আফতাব নগর ও অন্যান্য পাশ্ববর্তী এলাকায় আওয়ামীলীগ শাসন আমলে দলীয় ক্ষমতা ব্যবহার করে দখলবাজী, টেন্ডারবাজী, অবৈধ ইট, বালু, মাটির ব্যবসা, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা এসব অপরাধ মূলক কার্যক্রম চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অর্থ বিত্তের মালিক হয়েছেন।
যাদের মধ্যে এস, এম কামাল, আলমগীর ঢালী ও মোহন দাস অন্যতম। ২৪ আগে আফতাব নগর আওয়ামীলীগ কমিটির সভাপতি, সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ গুলো এদের দখলে ছিল।
দীর্ঘ সতের বছর ক্ষমতায় থাকাকালীন এসব এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেন। সূত্র আরো জানায় এস এম কামাল বলতে গেলে একেবারেই পড়াশোনাহীন।
নিজের সইটা কোনরকম দিতে পারেন অথচ তার নামে বনশ্রী ও আফতাবনগরে বেশ কয়েকটি ফ্লাট রয়েছে।
নামে বেনামে অনেক জমি সহ রয়েছে একাধিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। একসময় জহিরুল হক ইষ্ট ওয়েষ্ট হোস্টেলের ছেলেদের দিয়ে মাদক ব্যবসা চালিয়েছেন।
এদের একাধিক ছাত্রী হোষ্টেল ও আবাস রয়েছে এখনো যেখানে অবৈধ শারিরীক ব্যবসা সহ মাদক বেচাকেনা চলে।
জানা গেছে এস এম কামাল আর্মি অফিসার মেজর শাকিল সহ অন্যান্য সরকারি কর্মকর্তাদের বিভিন্ন উপহার উপঢৌকন দিয়ে সম্পর্ক স্থাপন করে এলাকায় প্রভাব বিস্তার করে প্রথম শ্রেণির কন্টাকটর বনে যান।
হাতিরঝিল ও আশপাশে অবৈধ ভাবে মাটি কাটার কাজ শুরু করেন এর জন্য তার শতাধিক ডেকু মেশিনও রয়েছে।
রয়েছে ৪৮ টির মতো ফ্লাট ও আফতাবনগরের অভ্যন্তরে যাত্রী সেবা ৪/৫ টি বাস সার্ভিস।
২৪ আন্দোলনে ছাত্র জনতার উপর হামলা খুন ও গুমের ঘটনায়ও এরা প্রত্যক্ষ ভাবে জড়িত ছিল। বাড্ডা থানা ও কোর্টে একাধিক চার্জ ভুক্ত মামলা রয়েছে।
এ ব্যাপারে বাড্ডা থানা ওসির সাথে সরাসরি যোগাযোগ করলে তিনি কোর্টের চার্জশীট মামলার কথা স্বীকার করেন তবে থানা থেকে এখনো চার্জশীট কোর্টে দেয়া হয়নি বলে জানান।
কেন দেয়া হয়নি সাংবাদিকের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, এটা পুলিশ কমিশনারের কাছে জানতে চান।
আসামীরা প্রকাশ্যে ঘুরছে এবং দল গোছানোর কাজে তৎপর আছে এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ থেকে তিনি মৌখিক বা লিখিত আদেশ পাচ্ছেন না বলে বিষয়টি এড়িয়ে যান।
অন্যদিকে জানা গেছে এস এম কামাল গং তাদের বিভিন্ন অপরাধ মূলক কার্যক্রম ধামাচাপা ও জনসাধারণের কাছে সাধু সাজার জন্য নিজস্ব মিডিয়া সেন্টার ও ম্যাগাজিন, পত্রিকা বের করার জন্য তথ্যমন্ত্রণালয়ে দৌড়ঝাপ করছেন। (পরবর্তীতে বিস্তারিত)