Amaderjagaran || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম:

আজ স্কুল বন্ধ। অথচ এই দিনটা হয়তো দেখতেই হতো না! এক,দুই দিনের মধ্যে বঙ্গভবন ছাড়তে পারেন বলে জানিয়েছেন বঙ্গভবনের একজন কর্মকর্তা শেখ হাসিনাকে তাড়িয়েছি,যদি ফ্যাসিবাদ কায়েম করেন জনগণ আপনাদেরও তাড়াবে...জামায়াতের আমির রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে হাফিজ উদ্দিন আহমদ, প্রজ্ঞাপন জারি রাজনৈতিক বিতর্ক নয়,গবেষণা ও উদ্ভাবনে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান...স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর সেপ্টেম্বরের সংসদ অধিবেশনে নির্বাচিত হবেন নতুন রাষ্ট্রপতি...আইনমন্ত্রী ইসরায়েলকে স্বীকৃতি না দিলে সৌদির সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি নয়...ডোনাল ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতায় জ্বালানি ও রেমিট্যান্সে সবচেয়ে বড় ঝুঁকিতে বাংলাদেশ রাজধানীতে দুর্বৃত্তের গুলিতে যুবদল কর্মী নিহত ‘সংবিধান রক্ষা করেছি, আমি কোনো অপরাধী নই...মো: শাহাবুদ্দিন
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)
সামসুল হক স্কুলের গভর্নিং বডির নির্বাচন স্থগিত

আজ স্কুল বন্ধ। অথচ এই দিনটা হয়তো দেখতেই হতো না!

এড: সিফায়েত উল্লাহ অসীম

প্রকাশ : শনিবার, ২৫ জুলাই,২০২৬, ১১:৫৩ পিএম
আপডেট : রবিবার, ২৬ জুলাই,২০২৬, ১২:০৮ এ এম
আজ স্কুল বন্ধ। অথচ এই দিনটা হয়তো দেখতেই হতো না!

২০১৮ সালে আমি একটি স্বপ্ন দেখেছিলাম—সামসুল হক স্কুলের একটি শক্তিশালী, স্বাধীন ও নিরপেক্ষ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশন হবে।

যেখানে দল-মত নির্বিশেষে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা নিজেদের প্রিয় প্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করবে।

কিন্তু সেই সময় ক্ষমতাসীনদের ছত্রছায়ায় থাকা প্রিন্সিপাল সেই উদ্যোগকে বাস্তবায়িত হতে দেয়নি।

এরপর দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর, ৫ আগস্টের পর আবারও নতুন করে স্বপ্ন দেখেছিলাম।

ভেবেছিলাম এবার অন্তত প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের জন্য দরজাটা খুলবে। আবারও উদ্যোগ নিয়েছিলাম। কিন্তু না, সেই সুযোগও দেওয়া হয়নি।

আজ গভর্নিং বডির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে স্কুল বন্ধ, মারামারি, পদত্যাগের দাবি—এসব দেখে শুধু একটা কথাই মনে হচ্ছে, একটি শক্তিশালী অ্যালামনাই থাকলে আজকের এই পরিস্থিতি হয়তো তৈরি হতো না।

বহিরাগতরা কেন আমাদের স্কুলের ভাগ্য নির্ধারণ করবে? সামসুল হকের ভালো-মন্দ নিয়ে সবার আগে কথা বলার অধিকার তাদের, যারা এই স্কুলের ইউনিফর্ম পরে বড় হয়েছে, এই স্কুলের নাম পরিচয় হিসেবে বয়ে বেড়াচ্ছে।

একটি শক্তিশালী অ্যালামনাই থাকলে স্কুলের যেকোনো সংকটে প্রাক্তন শিক্ষার্থীরাই সবার আগে এগিয়ে আসত। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং প্রতিষ্ঠানের স্বার্থ রক্ষায় সোচ্চার থাকত। ব্যক্তি নয়, প্রতিষ্ঠানই হতো সবচেয়ে বড় পরিচয়।

প্রাক্তন ছাত্রদের দুরে ঠেলে রাখতে পারলেই সবার সিদ্ধহস্ত সাধন হয়, দুর্নীতি, ঘুষ, ভর্তিবানিজ্য, নিয়োগ বানিজ্য স্বাধীন ভাবে করা সহজ হয়ে উঠে৷ প্রধান শিক্ষক আসবেন, যাবেন।

গভর্নিং বডি পরিবর্তন হবে। ক্ষমতা পরিবর্তন হবে। কিন্তু সামসুল হক স্কুল এবং তার হাজারো প্রাক্তন শিক্ষার্থী চিরদিন থাকবে।

আমার মতে শুধু প্রিন্সিপালের পদত্যাগ না, এই বহিরাগত যারা এখন প্রিন্সিপালের পদত্যাগকে পুঁজি করে তাদের স্বার্থ হাসিল করতে চায়, একমাত্র আমরাই পারি যারা অতীতের এই সামসুল হক খান স্কুলের ব্যাচ পরিধান করেছি এই অশুভ শক্তি গুলোকে স্কুলের মঙ্গলের জন্য ছুড়ে ফেলে দিতে৷

প্রিন্সিপালের স্বেচ্ছাচারীতা যেমন সত্য, কিন্তু যারা সামনে আসতে চাচ্ছে তারাও স্কুলের ভবিষ্যতের জন্য ভয়ানক৷ স্কুলের বর্তমান পরিস্থিতি ও প্রিন্সিপালের এই পরিস্থিতির জন্য প্রিন্সিপাল নিজেই দায়ি৷

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)