নিজস্ব প্রতিবেদক নারায়ণগঞ্জ
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জ সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল মোড়ে সড়ক সম্প্রসারণ কাজ শেষ হওয়ার প্রায় ৬/৭ বছর পেরিয়ে গেলেও মহাসড়কের মাঝখান থেকে সরেনি প্রায় ১০-১২টি উচ্চ ক্ষমতার বিদ্যুতের খুঁটি।
৩৩ হাজার ভোল্ট সঞ্চালন লাইনের এসব ঝুঁকিপূর্ণ খুঁটি রেখেই প্রতিনিয়ত যাতায়াত করছে হাজার হাজার যানবাহন, যা প্রতিনিয়ত মারাত্মক দুর্ঘটনা ও যানজটের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগ এবং ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) মধ্যে সমন্বয়হীনতার কারণেই দীর্ঘ ৪ বছরেও এসব খুঁটি অপসারণের কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেয়া হয়নি।
পরিবহন শ্রমিক ও চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বিশেষ করে রাতের বেলা ও দ্রুতগতির দূরপাল্লার বাস-ট্রাক চলাচলের সময় এসব খুঁটির কারণে অতিরিক্ত সতর্ক থাকতে হয়।
প্রায়ই সময় যানবাহনের ধাক্কা লাগার ঘটনা ঘটছে। স্বদেশ পরিবহনের বাসচালক মোঃ বিল্লাল হোসেন এবং ঢাকা-কক্সবাজার রুটের চালক সোহেল মিয়া জানান, ৩৩ হাজার ভোল্টের তার ঝুলতে থাকা এসব খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা লাগলে যেকোনো সময় বড় ধরনের প্রাণহানি ঘটনা ঘটতে পারে বলে আশঙ্কার মধ্যে থাকতে হয়।
হাইওয়ে পুলিশ শিমরাইল ক্যাম্পের ইনচার্জ (টিআই) মো. জুলহাস উদ্দিন দৈনিক আমাদের জাগরণ"কে বলেন, মহাসড়কের মাঝখানে এভাবে উচ্চ ক্ষমতার বিদ্যুতের খুঁটি থাকা অত্যন্ত বিপজ্জনক।
এর ফলে নিয়মিত যানজটের সৃষ্টি হচ্ছে এবং বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে।
এদিকে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার চিত্র উঠে এসেছে। ডিপিডিসির সিদ্ধিরগঞ্জ শাখার নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুর রহমান জানান, বিষয়টি ঢাকার বিভাগের প্রকল্প এখতিয়ার ভুক্ত হওয়ায় স্থানীয় শাখার এখানে কিছু করার নেই।
নারায়ণগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম দৈনিক আমাদের জাগরণ"কে বলেন, ডিপিডিসির প্রকল্প বিভাগ ইতোমধ্যে আদমজী রোডে ভূগর্ভস্থ (আন্ডারগ্রাউন্ড) বিদ্যুতের লাইন বসানোর কাজ শুরু করেছে। মাটির নিচের লাইনের কাজ সম্পন্ন হলেই মহাসড়কের ওপর থাকা ঝুঁকিপূর্ণ খুঁটিগুলো অপসারণ করা সম্ভব হবে।