ঢাকা, বাংলাদেশ মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬ আজকের পত্রিকা ই-পেপার আর্কাইভ কনভার্টার ফটোগ্যালারি
Amaderjagaran || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম:

চট্টগ্রাম ছাড়া সব বোর্ডে এইচএসসি পরীক্ষা চলবে...আন্তঃশিক্ষা বোর্ড ফিফা সভাপতির নিজ দেশ সুইজারল্যান্ডেই তার পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ আগামী ০১ আগস্ট থেকে ১৫ মাস বয়সী শিশুরা পাবে টাইফয়েড টিকা ইরান উত্তেজনায় বিশ্বজুড়ে চাপ ১০ হাজার সেনা পাঠাতে ভাবছেন ট্রাম্প, জাতিসংঘে জরুরি বৈঠক আজ ইউরোপীয় ফুটবলে মুসলিম পরিচয়ের নতুন বাস্তবতা অর্থপাচার ও প্রতারণার অভিযোগে গাইবান্ধার মন্দির সভাপতি হরিদাস গ্রেফতার মেসিকে ‘ঘুম পাড়াবে’ ইংল্যান্ড, ব্রিটিশ তারকা জো কোলের হুংকার মডেল মসজিদেও হরিলুট:১৩ কোটির খরচ ২১ কোটি উল্লেখ,তদন্তের নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর চকরিয়া বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে স্বপ্নতরী স্বেচ্ছাসেবী যুব সংগঠন, ৫০ পরিবার পেল ত্রাণ বন্যা ও দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতিতে পরীক্ষার্থীদের সুরক্ষায়...ছাত্রশিবি
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)

‘পাকিস্তান ভাঙার ইচ্ছা শেখ মুজিবের ছিল না, তাই স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি...স্পিকার

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ : শনিবার, ১১ জুলাই,২০২৬, ০৭:৫৪ পিএম
‘পাকিস্তান ভাঙার ইচ্ছা শেখ মুজিবের ছিল না, তাই স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি...স্পিকার

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ও বীর মুক্তিযোদ্ধা মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেছেন, ১৯৭১ সালে পাকিস্তান ভাঙার কোনো ইচ্ছা বা বিচ্ছিন্নতাবাদী হওয়ার বাসনা শেখ মুজিবুর রহমানের ছিল না।

এ কারণেই ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর অভিযানের আগে তাজউদ্দিন আহমেদের অনুরোধ সত্ত্বেও তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি।

শনিবার (১১ জুলাই) ‘রিটায়ার্ড আর্মড ফোর্সেস অফিসার্স ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন (রাওয়া)’ আয়োজিত ‘দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট: ইতিহাস, ঐতিহ্য এবং বাংলাদেশের অভ্যুদয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্পিকার বলেন, “তাজউদ্দিন আহমেদ শেখ মুজিবুর রহমানকে বলেছিলেন, পাকিস্তানি বাহিনী আক্রমণ করতে যাচ্ছে, মানুষ স্বাধীনতা চায়।

কিন্তু শেখ মুজিব বলেছিলেন, ‘আমি বিচ্ছিন্নতাবাদী হতে পারি না। পাকিস্তান ভাঙতে আমার কোনো অবদান থাকুক, তা আমি চাই না।’ তাই তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি।”

তিনি দাবি করেন, পাকিস্তানি বাহিনীর বর্বরোচিত হামলার মুখে যখন জাতি দিশেহারা হয়ে পড়েছিল, তখন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্ট সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তোলে।

সেই সংকটময় সময়ে মেজর জিয়াউর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দেন, যা জাতিকে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে অনুপ্রাণিত করেছিল।

হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, “১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ কোনো একক রাজনৈতিক দলের যুদ্ধ ছিল না, এটি ছিল সমগ্র জনগণের যুদ্ধ।”

তিনি অভিযোগ করেন, স্বাধীনতার পর একটি বিশেষ রাজনৈতিক গোষ্ঠী ইতিহাস বিকৃত করে শুধু ৭ মার্চের ভাষণের ওপর ভিত্তি করে স্বাধীনতার কৃতিত্ব নেওয়ার চেষ্টা করেছে।

তিনি আরও বলেন, রাজনীতিবিদরা অনেক সময় অন্যের কৃতিত্ব নিজেদের করে নিতে চান এবং নিজেদের দলের নেতার বাইরে অন্য কারও অবদান স্বীকার করতে চান না।

আলোচনায় ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ভূমিকার কথা তুলে ধরে স্পিকার বলেন, মুক্তিযুদ্ধের সময় পূর্ব পাকিস্তানে রেজিমেন্টটির মাত্র পাঁচটি ব্যাটালিয়ন ছিল।

বিভিন্ন ক্যান্টনমেন্টে তারা পূর্বপরিকল্পনা ছাড়াই পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার প্রতিবাদে বিদ্রোহ করে এবং জনগণকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিতে আহ্বান জানায়।

এই প্রতিরোধই পরবর্তী নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তি তৈরি করে। নিজের সেনাবাহিনীতে যোগদানের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, মূলত ফুটবলের প্রতি আগ্রহ থেকেই তিনি সেনাবাহিনীতে যোগ দিয়েছিলেন।

তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমানের উৎসাহেই তিনি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

তিনি স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে জেনারেল জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তাঁর উৎসাহ ও প্রেরণাই তাকে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টে যোগ দিতে অনুপ্রাণিত করেছিল।

এ সময় তিনি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের প্রধান সংগঠক মেজর আব্দুল গনি এবং ১৯৭১ সালে চট্টগ্রামে রেজিমেন্টের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার মাহমুদুর রহমান মজুমদারের অবদানের কথাও স্মরণ করেন।

পাশাপাশি সৈনিক ও কর্মকর্তাদের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা ও ঐতিহ্যবাহী সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার আহ্বান জানান।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)