এস এম মিজান ও নূরুল আজিজ চৌধুরী
বিশ্বকাপের ২৪তম আসরের মূল আয়োজক মরক্কো, স্পেন ও পর্তুগাল।
তবে ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপের শতবর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে উদ্বোধনী ম্যাচ হবে দক্ষিণ আমেরিকার তিন দেশ- উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে।
প্রথম বিশ্বকাপের ফাইনাল অনুষ্ঠিত হয়েছিল উরুগুয়ের রাজধানী মন্টেভিডিওর ঐতিহাসিক এস্তাদিও সেন্টেনারিও স্টেডিয়ামে।
শতবর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে এবারও সেখানে একটি উদ্বোধনী ম্যাচ আয়োজন করা হবে।
এছাড়া আর্জেন্টিনার বুয়েন্স এইরেসের এস্তাদিও মনুমেন্টাল এবং প্যারাগুয়ের আসুনসিওনের এস্তাদিও ওসভালদো ডোমিঙ্গেজ দিব স্টেডিয়ামেও একটি করে উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।
এরপর টুর্নামেন্টের বাকি সব ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে ইউরোপ ও আফ্রিকায়। স্পেনের মাদ্রিদ, বার্সেলোনা, সেভিয়া, বিলবাও, সান সেবাস্তিয়ান, সারাগোসা, লাস পালমাস, ভ্যালেন্সিয়া ও ভিগো শহরে ম্যাচ হবে।
পর্তুগালের লিসবন ও পোর্তো এবং মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কা, রাবাত, মারাকেশ, আগাদির, ফেজ ও তাঞ্জিয়ারের স্টেডিয়ামগুলোও ম্যাচ আয়োজন করবে।
আয়োজক হওয়ায় মরক্কো, স্পেন, পর্তুগাল, উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়ে সরাসরি বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলার সুযোগ পাবে।
ফিফার সূচি অনুযায়ী, ২০৩০ সালের ৮ ও ৯ জুন উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়েতে উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ১৩ বা ১৪ জুন মূল উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শুরু হবে টুর্নামেন্টের বাকি অংশ।
ফাইনাল অনুষ্ঠিত হবে ২১ জুলাই। তবে ফাইনালের ভেন্যু এখনও ঘোষণা করেনি ফিফা। প্রথমবারের মতো ৪৮ দল অংশ নিচ্ছে এবং ম্যাচ হচ্ছে ১০৪টি। এই নতুন কাঠামো সফল হলে ২০৩০ বিশ্বকাপেও ৪৮ দলের ফরম্যাট বহাল থাকতে পারে।
যদিও এ বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি ফিফা। তবে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো জানিয়েছেন, দক্ষিণ আমেরিকার ফুটবল সংস্থা কনমেবলের ৬৪ দলের বিশ্বকাপ আয়োজনের প্রস্তাবও বিবেচনায় রয়েছে।
এ প্রস্তাব বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ আমেরিকার তিন আয়োজক দেশেও আরও বেশি ম্যাচ আয়োজনের সুযোগ তৈরি হবে।
এছাড়া বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব নিজ নিজ মহাদেশীয় ফুটবল সংস্থার তত্ত্বাবধানে অনুষ্ঠিত হবে।
ইউরোপীয় ফুটবল সংস্থা উয়েফা নতুন চ্যাম্পিয়ন্স লিগ-ধাঁচের বাছাইপর্ব চালুর পরিকল্পনা করছে।