রিয়াল হোসেন দাউদ মুন্সিগঞ্জ থেকে ফিরে
অসুস্থ বাবাকে হসপিটালের স্ট্যাচারে শুইয়ে রেখে ৭ বোন কে ওয়ারিশ বাদ দিয়ে বাবার সমস্ত সম্পত্তি কমিশনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রি করে নেয়ার সাবেক ছাত্রলীগের নেতা বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে।
মুন্সিগঞ্জ জেলার লৌহজং উপজেলার উওর-মেদিনী মন্ডল গ্রামের একজন শিল্পপতি তালেব হোসেন খান (৮৪) বছর।
২০২০ সনে তার হার্টে সমস্যা ধরা পরে, তার পর ইউনাইটেড হসপিটালে প্রেসম্যাকার বসানো হয়,।
তারপর থেকে তিনি অসুস্হ,কখন হসপিটাল কখন ও বা বাসায় হসপিটালের বেডে শুয়ে থাকা নিরব আর্তনাদ বাঁচার,।
অনুসন্ধানে জানা যায় তালেব হোসেন খানের পিতা তিনিও ধনী ছিলেন, যাদের লৌহজং উপজেলায় দুই তিনটি মৌজায় আড়াই হাজার থেকে তিন হাজার শতক জায়গা রয়েছে, যা ২৫ থেকে ৩০ একর জায়গা,।
তালেব হোসেন খানের ২ স্ত্রী বড় বউয়ের সংসারে ৬ মেয়ে ১ ছেলে ছোট বউ এর সংসারে ১ মেয়ে.ঢাকা ইসলামপুর ৪-৫টি নিজ মালিকানায় ফেব্রিক্স এর দোকান রয়েছে,।
রয়েছে পুরান ঢাকা সহ ৩/৪টি আলিশান বাড়ি, এতক্ষণ যেই সম্পদের বিবরণী দেখেছি তালেব হোসেন খানের সেখানেই অসংগতি, তালেব হোসেন খানের পিতা:মরহুম এবাদত হোসেন খান তাহার ও ৩টি ছেলে তার মধ্যে তালেব হোসেন খান এক ছেলে, তিনি বাপের ওয়ারিশ সূত্রে জায়গা পেয়েছেন।
আবার নিজে ও কিনেছেন বহু জায়গা জমিন, ঢাকা ইসলাম পুরের ফেব্রিক্সের দোকান ও শিপিং ব্যবসায় খুব সুনাম রয়েছে ব্যবসায়িক তালেব হোসেন খানের, পিতার সম্পত্তি পেয়েছেন নিজেও প্রচুর সম্পদ কিনেছেন।
আর তালেব হোসেন এর একমাত্র ছেলে অভিযুক্ত আসিম সম্পদ বোনদেরকে ঠকিয়ে হসপিটালে বেডে শুয়ে থাকা মুমূর্ষ বাবাকে দিয়ে নিংমং করে টিপ সইয়ের মাধ্যমে কমিশন করে রেজিস্ট্রি করে নেয়।
ভুক্ত ভুগি বোনেদের সাথে কথা হলে তারা জানায় তার ভাই মাদকাসক্ত তাই সে যে কোন ভয়ংকর কাজ তাকে দিয়ে সম্ভব, আমরা সংবাদ কর্মীরা লৌহজং উপজেলায় এসিল্যান্ড অফিস ও তালেব হোসেন খানের ইউনিয়ন ভুমি অফিস তল্লাশী করে রেজিষ্ট্রির সত্যাতা পায়।
দেশে আইনের তোয়াক্কা না করে ৭ বোন ও তালেব সাহেবের ছোট বউ কে ঠকানোর নীল নকশা পূর্ব পরিকল্পিত, বাবা হসপিটালের বেডে শুয়ে,প্রতিনিয়ত মৃত্যুর যন্ত্রণায় ছটফট করেন।
আর সন্তান তার স্বার্থের জন্য মৃত্যুসজ্জা বাবাকে জিম্মি করে গত ৪/৫ বছরে সব জায়গা বোনদের ঘুমে রেখে কমিশনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রি করে নেন।
২০২০ সন থেকে ওয়ারিশ বোনদের বঞ্চিত করে ঢাকা ৩টি বাড়ি ইসলামপুর তিনটি দোকান ও লৌহজং নিজ ভুমির ২৭১ শতক জায়গা লিখে নেন বাবা কে জিম্মি করে।
নিজ ভুমি লৌহজং এ ডুপ্লেক্স বাড়িটি ও লিখে নেন এই ঘাতক আসিম, বোনেরা বার বার যোগাযোগের চেষ্টা করেন।
কিন্তু আজ দিবেন কাল দিবেন বলে বোনদের সাথে যোগাযোগ করে না? আমরা গণমাধ্যম কর্মীরাও যোগাযোগ করি আসিম এর সাথে তিনি বলেন জায়গা দেবেন, পরে আর কোন যোগাযোগ করেন না।
কিন্তু দীর্ঘদিন অপেক্ষা করেও ভুক্তভোগী বোনেরা সুরাহা না পেয়ে, সংবাদকর্মীদের দ্বারস্থ হয়, ইসলাম ধর্মে ও বাংলাদেশ সরকারের আইনে স্পষ্ট ভাবে বলা আছে ছেলে সন্তানের ২ ভাগ মেয়েদের ১ ভাগ ওয়ারিশ সুএে।
অথচ আইনের তোয়াক্কা না করে মুমূর্ষ্য পিতার কাছ থেকে সমস্ত সম্পদ লিখে নেয় আসিম।
ভুক্তভোগী বোনদের দাবি সরকারের কাছে ভূমি মন্ত্রণালয় তাদের জবানবন্দি নিয়ে উক্ত দলিল গুলি বাতিল করে দিতে পারে,তারা আরো জানান আমরা প্রশাসনের দারস্ত হবো, আমরা এ দেশের নাগরিক, সরকারের আইন শৃঙ্খলা বাহিনী আমাদের চাওয়া ন্যায্য ওয়ারিশের অধিকার ফিরিয়ে দিয়ে সমস্ত সম্পদ উদ্ধারে প্রশাসন সম বন্টন করে দিন।
ভুক্তভোগী বোনেরা বলেন বাবার বাসায় বাবা অসুস্থ বেডে শুয়ে থাকেন সারাক্ষণ বাবাকে মেয়ে হিসেবে দেখতে গেলে আসিম আমাদের সাথে খুব বাজে ব্যবহার করে মারতে আসেন।
বাসায় গেলে বোনদেরকে হুমকি ধামকি দেওয়া হয় প্রানে মেরে ফেলার ভুক্তভোগী বোনেরা আরো বলেন আমরা অসুস্থ বাবাকে দেখতে বাসায় যাই বাবা আমাদের সাথে কি বলে আর আমরা বাবাকে কি বলি এগুলো শোনার জন্য আসিম বাবার রুমে সিসি ক্যামেরা লাগিয়ে দেয়।
ভুক্তভোগী বোনেরা আরো বলেন আসিম সম্পদের লোভে মুমূর্ষ বাবাকে মেরে ফেলতে ও দ্বিধাবোধ করবেন না, তারা আরো জানান আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ বিষয়টি যথাযথ মূল্যায়ন করবেন ও সরকারের কাছে সুবিচার কামনা করি।