Amaderjagaran || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম:

● নারায়ণগঞ্জ নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই ধসে পড়েছে ঢাকা বাইপাস সড়ক ● কলকাতার বাংলাদেশ মিশনের সামনে ফের বিক্ষোভ,ব্যারিকেড ভেঙে ঢোকার চেষ্টা ● ওনাবের সভাপতি মোস্তফা কামাল, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রনো ● পাবনা সেনাবাহিনীর পাহারায় রূপপুরে পৌঁছাল পারমাণবিক জ্বালানি ● পাকিস্তানকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে ভারতের স্বর্ণজয় ● উচ্চ সুদে ঋণ নিয়ে ব্যবসায় সফল হওয়া চ্যালেঞ্জের...গভর্নর ● মুক্তিযোদ্ধাদের দাফন-সৎকারে সাড়ে ৯ কোটি টাকা বরাদ্দ ● বিশ্ব প্রাণী দিবস আগামীকাল ● পুলিশের গুলি খাবো,তবু হেলমেট পরবো না’....মেজর আখতারুজ্জামান ● ট্রাম্পের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী-স্ত্রীর ছবি প্রকাশ
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)
মুন্সিগঞ্জের ডিসি অফিসের ইমনের দুর্নীতি অভিযোগ

মাএ ১৩ বছরে নিম্ন পরিবার থেকে বিওশালী পরিবারে রূপান্তিত

নিজস্ব প্রতিবেদক মুন্সিগঞ্জ

প্রকাশ : শুক্রবার, ১৯ জুন,২০২৬, ১২:৩৫ এ এম
মাএ ১৩ বছরে নিম্ন পরিবার থেকে বিওশালী পরিবারে রূপান্তিত

মুন্সিগঞ্জ ডিসি অফিসে এলএ শাখায় ট্রেসার ইমন দুর্নীতির করে কোটি কোটি টাকা সম্পত্তির মালিক হয়েছেন এবং গ্রাহকদের হয়রানির করা  অভিযোগ উঠেছে  তার বিরুদ্ধে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, আজ থেকে ১৫ বছর আগে যার সংসারে অভাব লেগেই থাকতো, সেই ইমন এখন শত কোটি টাকার মালিক।

মুন্সিগঞ্জ গজারিয়া উপজেলার ভবেরচর ইউনিয়নের আনারপুরা গ্রামে, আজ থেকে বহু বছর আগে ইমনের দাদা বিয়ে করে সংসার পাতেন।

নিজ জন্মস্হান সাতকাহনিয়া ত্যাগ করে শশুর বাড়ি আনারপুরায় এসে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। 

সেখানে জন্ম নেয় ইমন, পিতা মৃত আব্দুল মতিন,সংসার জীবন অভাব অনটনের মধ্যেই চলতে থাকেন এরই মধ্যে তার ৪টি সন্তান জন্ম নেয় জাকির,ইমন, ইমাম,সৈয়দ যেহেতু পিতা মৃত মতিন ছেলে ইমন বড় হয়েছেন নানার বাড়ি আনাড়পুরা গ্রামে।

তাদের অত্র এলাকা নিজস্ব কোন সম্পত্তি ছিল না, তারই মধ্যে ইমনের সংসার অন্ধকারে ঢেকে যায় ভেঙ্গে পড়ে,সংসার। এই অবস্থায় চার সন্তান রেখে ইমনের পিতা আব্দুল মতিন মৃত্যুবরণ করেন।

ইমনের মা-বাবার ঘরে একাই ছিলেন, ইমনের মা ও নানীর সংসার নিয়ে নতুন করে যুদ্ধ  শুরু করেন।

এ অবস্থায় চলতে থাকে, মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাজ করা। মাঠে জমিতে কাজ করে ইমনের মা ও নানী সংসার টিকিয়ে রাখার সর্বোচ্চ যুদ্ধ করেন?

এভাবে আস্তে আস্তে ইমন অনেক কষ্ট করে পড়ালেখা করেন। পড়ালেখা শেষ করার আগেই মেধা তালিকায় চাকরি হয় মুন্সিগঞ্জ ডিসি অফিসে।

মুন্সিগঞ্জ ডিসি অফিসে ইমনের  চাকরি হওয়ার পর থেকেই আলাদিনের চেরাগ পেয়ে যান। এরপর গত ১৩ বছর তাকে আর ফিরে তাকাতে হয়নি। 

মুন্সিগঞ্জ ডিসি অফিস এল,এ শাখায় চাকরি হওয়ার সুবাদে নিজ গ্রাম আনারপুরা নার্সি মৌজায় তার ভাই ও তার নামে আনুমানিক ১৫-১৬ বিঘা জমি ক্রয় করেন।

ইমনের শ্বশুরবাড়ি চরপাথালিয়াতে শশুর শাশুড়ি ও স্ত্রীর নামে অঢেলজায়গা জমি সম্পত্তি, ক্রয় করে দিয়েছে।

এই ধরনের সরকারি কর্মচারীদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে দুদকের অনুসন্ধান টিম মাঠে নামলে সমস্ত কিছু বেরিয়ে আসবে বলে এলাকাবাসী মনে করেন। 

ইমনের দুই ভাই গজারিয়া উপজেলা আনারপুরা বসুন্ধরা গ্রুপে মেকানিক্যাল হিসেবে চাকরিরত আছেন। দুই ভাই এর ইনকাম কোন রকম সংসার,চলে। তবে ইমনের আয়ের উৎস ভয়াবহ হাওয়ায়  দুর্নীতির আগ্রাসনে রূপ নিয়েছে বলে  ভুক্তভোগীরা জানায়।

মুন্সিগঞ্জের ডিসি অফিসের একজন সাধারণ ট্রেসার হয়ে, কোটি কোটি টাকা ইনকাম করা যায় তাহলে বড় বাবুদের অবস্হা কেমন হতে পারে।

মুন্সিগঞ্জ গজারিয়া উপজেলায় ভবেরচর এলাকা দুই বিঘা জায়গায় উপর করেছেন নিজের ভিলাস বহুল ২য়তলা ডুপ্লেক্স বাড়ি, কিনেছেন মাইকোবাস,।

তবে তার এই লাক্সারি জীবনের পিছনে রয়েছে জানা অজানা বহু গল্প,।

দদুকের ইনভেস্টিগেসন টিম অনুসন্ধান করলে সব কিছু বের হবে বলে এলাকা বাসী মনে করেন।পর্ব -১ 

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)