নিজস্ব প্রতিবেদক
১০ ঘণ্টার ব্যবধানে দেশে সর্বোচ্চ লোডশেডিং– এর নতুন রেকর্ড হয়েছে। গতকাল রাত ১টায় সারা দেশে ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং ছিল।
তার আগে রোববার ০৯ আগস্ট বেলা ৩টায় সর্বোচ্চ লোডশেডিং ছিল ৩ হাজার ৬৭১ মেগাওয়াট।
সম্প্রতি অনেক এলাকায় দিন-রাতে মোট ১০ থেকে ১২ ঘন্টা বিদ্যুৎহীন থাকতে হয়েছে গ্রাহকদের।
সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন গ্রামের মানুষ। ২১ জুলাই চট্টগ্রাম মহেশখালীতে এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বিকল হওয়ার পর থেকেই বাড়তে থাকে লোডশেডিং ভোগান্তি।
সম্প্রতি টার্মিনালটি আংশিকভাবে চালু হলেও গ্যাস সরবরাহ আগের অবস্থায় ফেরেনি।
জ্বালানি সংকটে গ্যাস ভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন ৫ হাজার মেগাওয়াট থেকে নেমেছে সাড়ে ৩ হাজারের ঘরে।
এছাড়া ভারতের ঝাড়খন্ডের আদানি কেন্দ্র থেকেও ৪০০ মেগাওয়াট পর্যন্ত কমেছে বিদ্যুৎ সরবরাহ।
ফার্নেসওয়েল নির্ভর কেন্দ্রগুলো থেকেও কমেছে বিদ্যুৎ। পাওয়ারগ্রিডের তথ্যমতে, গতকাল দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৪টা এবং রাত ১২টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ ছিল চাহিদার তুলনায় ৩ হাজার থেকে ৩ হাজার সাড়ে ৭০০ মেগাওয়াট কম।