নিজস্ব প্রতিবেদক
এক বছরে প্রায় ১০ লাখ নতুন গ্রাহক যুক্ত হয়েছে রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংক পিএলসিতে।
ব্যাংকটির ১৯তম বার্ষিক সাধারণ সভায় (এজিএম) প্রতিষ্ঠানটির আমানত, ঋণ বিতরণ ও ব্যবসায়িক কার্যক্রমের অগ্রগতির বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরা হয়।
সভায় জানানো হয়, ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে জনতা ব্যাংকের মোট আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৫০ কোটি টাকা।
একই সময়ে ব্যাংকটির ঋণ ও অগ্রিমের পরিমাণ বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার ১১৯ কোটি টাকা।
ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্বল্পমেয়াদি ও তুলনামূলক কম ঝুঁকিপূর্ণ খাতের পাশাপাশি কৃষি, সিএমএসএমই এবং সরকারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত খাতে ঋণ বিতরণ অব্যাহত রয়েছে।
জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান মুহ. ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে গত মঙ্গলবার ঢাকার মতিঝিলে ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে ১৯তম এজিএম অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. মজিবর রহমান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের অতিরিক্ত সচিব আবু সালেহ মো. মহিউদ্দিন খাঁ, পরিচালক বদরে মুনির ফেরদৌস, আবদুল মজিদ শেখ, আবদুল আউয়াল সরকার, মো. শাহাদাৎ হোসেন, মো. আহসান কবীর, মো. কাউসার আলম, অধ্যাপক এ এ মাহবুব উদ্দিন চৌধুরী এবং উপব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) কাজী আবদুর রহমান ও মো. ফয়েজ আলম উপস্থিত ছিলেন।
এজিএমে আরও জানানো হয়, আমদানি, রপ্তানি ও প্রবাসী আয়ে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ব্যাংকটি যথাক্রমে ১১৪, ৮৮ ও ১০৪ শতাংশ অর্জন করেছে।
গত বছর শ্রেণীকৃত ঋণ থেকে নগদ ৬১৪ কোটি টাকা আদায় করা হয়েছে।
পাশাপাশি লোকসানি শাখার সংখ্যা ৩৮ থেকে কমে ১৮টিতে নেমেছে। এ সময়ে ব্যাংকের মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৬০ হাজার ৮৯৪ কোটি টাকা।
সভায় ব্যাংকের বিভিন্ন ব্যবসায়িক কার্যক্রমের চিত্র তুলে ধরেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. মজিবর রহমান।
তিনি জানান, ২০২৫ সালে জনতা ব্যাংক করপোরেট আয়কর বাবদ ৭২৪ কোটি টাকা এবং উৎসে কর, ভ্যাট ও আবগারি শুল্ক বাবদ ২ হাজার ২২৭ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছে।