Amaderjagaran || Daily Newspaper In Bangladesh

শিরোনাম:

● নারায়ণগঞ্জ নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই ধসে পড়েছে ঢাকা বাইপাস সড়ক ● কলকাতার বাংলাদেশ মিশনের সামনে ফের বিক্ষোভ,ব্যারিকেড ভেঙে ঢোকার চেষ্টা ● ওনাবের সভাপতি মোস্তফা কামাল, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রনো ● পাবনা সেনাবাহিনীর পাহারায় রূপপুরে পৌঁছাল পারমাণবিক জ্বালানি ● পাকিস্তানকে হারিয়ে এশিয়ান গেমসে ভারতের স্বর্ণজয় ● উচ্চ সুদে ঋণ নিয়ে ব্যবসায় সফল হওয়া চ্যালেঞ্জের...গভর্নর ● মুক্তিযোদ্ধাদের দাফন-সৎকারে সাড়ে ৯ কোটি টাকা বরাদ্দ ● বিশ্ব প্রাণী দিবস আগামীকাল ● পুলিশের গুলি খাবো,তবু হেলমেট পরবো না’....মেজর আখতারুজ্জামান ● ট্রাম্পের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী-স্ত্রীর ছবি প্রকাশ
Ad for sale 870 x 100 Position (1)
Position (1)
গাইবান্ধা মাদ্রাসার হাফেজা কিশোরী ধর্ষন

আলামত নষ্ট করতে ১০ দিনেও মামলা নেয়নি ওসি,অভিযোগ হাসান আলী ডাক্তারের বিরুদ্ধে

নিজস্ব প্রতিবেদক গাইবান্ধা :

প্রকাশ : শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর,২০২৬, ১২:১০ এ এম
আপডেট : শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর,২০২৬, ১২:২৯ এ এম
আলামত নষ্ট করতে ১০ দিনেও মামলা নেয়নি ওসি,অভিযোগ হাসান আলী ডাক্তারের বিরুদ্ধে

গাইবান্ধা সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের পোড়াবাড়ী গ্রামে দিনের দিশারী মহিলা হাফেজিয়া মাদ্রাসায় কোরআনের হাফেজা ১৪ বছরের এক কিশোরীকে ধর্ষনের অভিযোগ পাওয়া গেছে মাদ্রাসাটির পরিচালক হাছান আলী ডাক্তারের বিরুদ্ধে।

তবে অভিযোগ উঠেছে, ধর্ষিতার আলামত নষ্ট করার উদ্দ্যেশ্য মোটা অংকের টাকা ঘুষ নিয়ে ধর্ষককে বাঁচাতে ১০ দিন পরেও মামলা নেয়নি থানার ওসি নাজমুল হুদা।

পরে উপায়ন্তর না পেয়ে শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর সকালে অভিযুক্তের বাড়ীতে বিয়ের দাবিতে অবস্থান নেয় ওই কিশোরী। এরপর বিষয়টি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে নড়েচড়ে বসে পুলিশ।

পরে গাইবান্ধা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ধর্ষিতাকে থানায় নিয়ে আসেন এবং ওসিকে মামলা রের্কডের নির্দেশ দেন।

অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, গত প্রায় ৮ বছর পুর্বে ওই মাদ্রাসায় হেফজো আবাসিক শাখায় ভর্তি করে দিয়ে ওই কিশোরীর বাবা মা কর্মের তাগিদে ঢাকায় চলে যান।

প্রতিমাসে ঢাকা থেকে মাদ্রাসার পরিচালকের মোবাইলে খরচ পাঠান তারা। এভাবে চলতে থাকলে গত ৬ মাস আগে ওই কিশোরীকে নানা ভাবে কু প্রস্তাব দেন পরিচালক হাসান আলী ডাক্তার।

এঘটনা কিশোরী তার বাবা মাকে মোবাইলে জানাইলে সেসময় পরিচালক মৌখিকভাবে ভুল স্বীকার করে,এমন ঘটনা আর ঘটবে না বলে অঙ্গীকার করেন।

কিশোরী জানায়, গত ২৮ আগষ্ট শুক্রবার ফজরের নামাজের পর সকাল ৬ টার দিকে পরিচালক তাকে মাদ্রাসা সংলগ্ন নিজ বাড়ীতে ডেকে নেন।

এসময় মুখ চেপে ধরে কিশোরীকে ধর্ষন করেন পরিচালক হাসান আলী ডাক্তার।

এরপর এঘটনা অন্য কাউকে জানালে ওই কিশোরী কে হত্যা সহ লাশ গুম করার হুমকি দেন পরিচালক।

পরে মোবাইল ফোনে ঢাকায় থাকা তার বাবা মা কে বিষয়টি জানালে কিশোরীর বাবা মা গত ৩১ আগষ্ট গাইবান্ধায় এসে ওই মাদ্রাসায় গিয়ে মেয়ের মুখে ঘটনা শুনে পহেলা সেপ্টেম্বর সদর থানায় ধর্ষনের অভিযোগ দায়ের করেন।

পরিবারটির অভিযোগ, ধর্ষনের আলামত নষ্ট করার উদ্দ্যেশ্য এবং ধর্ষককে বাঁচাতে মোটা অংকের টাকা ঘুষ নিয়ে দশদিনেও মামলা নেয়নি থানার ওসি নাজমুল হুদা।

এবিষয়ে থানার ওসি নাজমুল হুদা বলেন, ঘটনাটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছিল। বর্তমানে ভিকটিম থানায় হেফাজতে আছে।

ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য প্রস্তুতি চলছে। জানতে চাইলে গাইবান্ধা  জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( বি সার্কেল) শেখ মুত্তাজুল ইসলাম বলেন, বিয়ের দাবিতে অনশনে থাকা ওই কিশোরীকে থানায় আনা হয়েছে।

ওসিকে মামলা রের্কড সহ দ্রুত আসামীকে গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সম্পর্কিত

ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন

Ad for sale 270 x 200 Position (2)
Position (2)